স্তন বড় করার উপায় – NariBangla

স্তন বড় করার উপায়

2 Replies

Lifestyle
স্তন বড় করার উপায়

নারীর শাররীক সৌন্দর্যের গুরুত্বপূর্ন একটি অংগ স্তন। নারীর প্রকৃত সুন্দর্য ফুটাতে সঠিক মাপের সুডৌল স্তনের জুড়ি নেই। বড় ব্রেস্ট মেয়েদের যৌন আকর্ষনীয় করে তোলে৷ আজকাল বেশিরভাগ নারী স্তনের গুরুত্ব বোঝে। অনেকে আছেন স্তন বড় করার উপায় খুজছেন বা অনেক পন্থা ইতিমধ্যেই অবলম্বন করছেন। কেউ হয়ত ভালো ফলাফল পেয়েছেন কেউ আবার পান নাই। এখন প্রাকৃতিকভাবেই ব্রেস্ট বড় করা যায়, সার্জারীর প্রয়োজন তেমন হয় না। সাধারণত ৩৪-৩৬ মেয়েদের স্ট্যান্ডার্ড ব্রেস্ট সাইজ। তবে অনেকের ব্রেস্ট আকারে ছোট হয়। এ লেখাটি তাদের জন্য যাদের ব্রেস্টের মাপ ৩৪-৩৬ এর নিচে। নিম্নে প্রাকৃতিকভাবে স্তন বড় করার উপায় আলোচনা করা হলোঃ

স্তন ঝুলে যাওয়ার কারণ ও সমাধান

স্তন বড় করার উপায়

১. হাত ঘষে গরম করে দুই হাত স্তনের নিচে হালকা চেপে ধরে ডানহাত ঘড়ির কাটার দিকে আর বাম হাতে ঘড়ির কাটার উল্টা দিকের মত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১০-১৫ মিনিট এভাবে ১০০ থেকে ৩০০ বার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। মাস খানেকের মধ্যে স্তনের সাইজ কিছুটা বাড়তে পারে। সেই সাথে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে, রাতে অনেক ঘুমাতে হবে। ব্রেস্টে নিয়মিত ম্যাসাজ করলেও এটা ধীরে ধীরে বড় হয়। আবার নিয়মিত সেক্স করলে ও তা বড় হয় (বিবাহিতদের জন্য)। তবে এসময় নিজের অর্গ্যাজমের উপর নজর দিতে হবে। অনেকক্ষণ ধরে সেক্স করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং সেক্সে পুরোপুরি তৃপ্ত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। নিজেকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে পুরো সক্রিয় থাকতে হবে। এতে দেহে হরমোনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে যা ব্রেস্ট বড় করতে সহায়তা করবে।

২. মেয়েদের জন্য ব্রেস্টের কিছু স্পেশাল ব্যায়াম আছে যেমন: বেঞ্চ প্রেস, বাটারফ্লাই প্রেস, পুশ-আপ (বুকডাউন) নিয়মিত এগুলো করে স্তনের টিস্যুতে ব্লাড ফ্লো বাড়াতে হবে। এতে বুকের পেশিগুলো সঠিক শেপে এসে স্তনকে সুগঠিক করবে। এটা অনেকটা বডিবিল্ডাররা যেভাবে শরীরের পেশি বৃদ্ধি করে, সেভাবে কাজ করবে। দিনে বেশ কয়েকবার দুইহাত দুইদিকে প্রসারিত করে আবার এক করুন।

৩. হাত ঘষে গরম করে দুই হাত স্তনের নিচে হালকা চেপে ধরে ডানহাত ঘড়ির কাটার দিকে আর বাম হাতে ঘড়ির কাটার উল্টা দিকের মত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। এটিও স্তন বড় করার উপায়। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১০-১৫ মিনিট এভাবে ১০০ থেকে ৩০০ বার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। মাস খানেকের মধ্যে স্তনের সাইজ কিছুটা বাড়তে পারে। সেই সাথে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে, রাতে অনেক ঘুমাতে হবে।

৪. স্তন বড় করায় উপায় গুলোর মধ্যে একটি বাথরুমে স্নান করার সময় হাত দিয়ে ব্রেস্টের চারপাশ ১০/১৫ মিনিট ম্যাসাজ করবেন। চাইলে ম্যাসাজের সময় হালকা গরম করে সামান্য সরিষার তেল বা খাঁটি মধু ব্যবহার করতে পারেন। আপনার শরীর যদি রোগা হয় তাহলে ২/৩ মাস সুষম খাদ্য খায়ে শরীরটা ঠিক করেন, দুধ, ডিম, ফল একটু বেশি খেলে উপকার পাবেন। চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করবেন। শরীর বাড়ার সাথে সাথে আপনার স্তন ও বড় হবে। ম্যাসাজটা চালিয়ে যাবেন। যদি পারেন তাহলে দিনে দুই বার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আলতো ভাবে টিপবেন বা ম্যাসাজ করবেন। আর এইসময় কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করতে হবে। নইলে ব্রেস্ট ঝুলে যেতে পারে।

স্তন ব্যথার কারণ কি কি?

৫. আপনি যখন থেকে ব্রেস্ট বড় করার জন্য ব্যায়াম ও ম্যাসাজ শুরু করবেন, তখন থেকে ব্রেস্ট এনলার্জিং ক্রিম ব্যবহার করা বন্ধ করে দিন (যদি ম্যাসাজ শুরুর আগে থেকে ব্রেস্ট এনলার্জিং ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন)। কারণ এ ধরণের ক্রিম সাধারণত কোন কাজে আসে না। এছাড়া ব্রেস্ট বড় করার জন্য কোন পিল সেবন করবেন না। এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। ব্রেস্ট ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে এসব ক্রিম/পিল ব্যাবহার করার ফলে।

এক বা দুই সপ্তাহ পর পর নিজের ব্রেস্ট মাপুন, টাইট জামাকাপড় পরিধান করুন এবং সঠিক কাপ সাইজের ব্রা পরিধান করুন। এছাড়া ব্রেস্ট বড় করার জন্য ব্রেস্ট ইমপ্লান্ট সার্জারী রয়েছে। এটি ন্যাচারাল নয় বলে না করাই ভালো এবং এ পদ্বতিটি ব্যয়বহুল।

ঔষুধ ছাড়া স্তন বড় করার উপায়

স্তনের আকার সাধারনত শারীরিক গঠনের সাথে সম্পর্কিত । তাই ছোট, বড় যাই হোক তা স্বাভাবিক। স্তনের আকার সুগঠিত দেখাতে ভাল মানের সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করা প্রয়োজন। সেই সাথে আপনার চলাফেরার ভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে যেমন সোজা হয়ে হাটা চলা করতে হবে। সঠিক মাপের ব্রা এবং সোজা হয়ে চলা ফেরা ভবিষ্যতে আপনাকে পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি দিবে। ইন্টারনেটে স্তনের আকার পরিবর্তনের জন্য অনেক ম্যাসেজ এর পদ্ধতি দেখানো আছে । এছাড়াও সার্জারি ও ক্রিম ব্যবহার করে স্তন বড় করা যায়। সার্জারির আগে অবশ্যই  প্লাস্টিক সার্জনের পরামর্শ নিতে হবে।সবচেয়ে বড় কথা হলো নিজের সবকিছু নিয়ে খুশি থাকা। নিজেকে নিয়ে হতাশা তৈরী হলে জীবনের কোনো ক্ষেত্রেই ভালো কিছু হবে না। তাই নিজেকে নিয়ে কনফিডেন্ট থাকা প্রয়োজন ।

সাদা স্রাব হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

2 comments

Leave a Reply to SannyRah Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

//GA Code Start //GA code end