oporazita – Page 6 – NariBangla
NariBangla » Blog Archives

Author Archives: oporazita

প্রেগন্যান্সির ১০ লক্ষণ জানাবে আপনি গর্ভবতী

বিয়েরতো কয়েক বছর হল। এবার ভাবছেন বেবি নিবেন। সে অনুযায়ী চেষ্টাও করেছেন। পিরিয়ড হওয়ার সময় এখনো হয়নি। কিন্তু মন সারাক্ষণ জানতে চায়, এবার হবেতো? কিভাবে জানবেন আপনি প্রেগন্যান্ট কিনা?

চলুন জেনে নেই প্রেগন্যান্সি টেস্টের আগেই কিভাবে প্রেগন্যান্সির ১০ লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী

প্রেগন্যান্সির ১০ লক্ষণ

১. স্তন বড়, ভারী ও স্পর্শককাতর: আপনার গর্ভে  ভ্রুণ আসলে শরীরে হরমনের পরিবর্তন হতে থাকে। আপনার স্তন ব্যথা করে। সেই সাথে ভারী ও স্পর্শকাতর থাকে। হালকা স্পর্শে জেগে উঠে। এমন কিছু আপনাকে আগাম সংকেত দিচ্ছে, আপনি প্রেগন্যান্ট।

২. খিদে বাড়ে ও অরুচি : আপনি প্রেগন্যান্ট হলে খিদে বাড়বে আপনার। কিছুক্ষণ পর পরই ক্ষুদা লাগবে। একই সাথে খাবারে অরুচি দেখা দিবে। নিজের অনেক পছন্দের খাবারও বিষের মত লাগবে।

৩. ক্লান্তিবোধ: আপনি যদি প্রেগন্যান্ট হন, তবে কোন কারণ ছাড়াই আপনার সারাদিন ক্লান্তি বোধ হবে। আসলে কেউই এখন পর্যন্ত ব্যাখ্যা করতে পারেনি সন্তান সম্ভবা মা’র প্রথম দিকের ক্লান্তির কারণ কি। সম্ভবত প্রোজেস্ট্রেরন হরমোনের ক্রমবর্ধমান প্রবাহ আপনাকে এই ঘুম ঘুম অনুভুতি দিচ্ছে। এছাড়াও মর্নিং সিকনেস ও বার বার প্রস্রাব করাও আপনার ক্লান্তিবোধ বাড়াতে কাজ করছে।

৪. বর্ধিত শারীরিক তাপমাত্রা: আপনি প্রেগন্যান্ট হলে  স্বাভাবিকের চেয়ে আপনার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাবে। যদি আপনি নিয়মিত আপনার শরীরের তাপমাত্রার চার্ট রেখে থাকেন, এবং যদি দেখেন একনাগাড়ে ১৮ দিনের বেশি তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, তবে খুব সম্ভবত আপনি গর্ভবতী।

৫. রক্তক্ষরণ, ব্যথা ও টান ধরা:  পেটে ভ্র্রুণ আসায় আপনার জরায়ু বড় হতে শুরু করবে। তাই আপনার পেটে টান ধরবে এবং পেটে ব্যথা হবে। পিরিয়ড শুরু হওয়ার নির্দিষ্ট দিনের আগে হালকা রক্তক্ষরণ বা পেটে প্রচন্ড টান ধরা ব্যথাও প্রেগন্যান্সির লক্ষণ। ভ্রুণ সঞ্চার হওয়ার প্রথম পাঁচ থেকে দশ দিনের মধ্যে এমন হতে পারে। রক্তক্ষরণ হলেই অনেকে ভাবেন পিরিয়ড শুরু হয়ে গেল, এ বার হল না। এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়।

৬. বমি ভাব, গন্ধ লাগা: গর্ভাবস্থার প্রথম কয়েক সপ্তাহে পেটে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব প্রেগন্যান্সির লক্ষণ। প্রোজেস্টেরন হরমোন শরীরে বেড়ে গেলে পেট গুলিয়ে ওঠে। অন্য দিকে ইস্ট্রোজেন ও এইচসিজি হরমোনের প্রভাবে হালকা গন্ধও খুব জোরালো মনে হয়। মাঝে মাঝেই বমি পায়। এ রকম হলে অবশ্যই প্রেগন্যান্সি টেস্ট করান।

৭. ঘন ঘন প্রস্রাব: প্রেগন্যান্সির প্রথম কয়েক সপ্তাহে ঘন ঘন প্রস্রাব পেতে পারে। শরীরে নতুন তৈরি হওয়া এইচসিজি হরমোন কিডনিতে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। ইউটেরাস বড় হতে থাকলে ব্লাডারে চাপ পড়ে। ফলে ঘন ঘন প্রস্রাব পায়।

৮. গলা শুকিয়ে আসা: জল তেষ্টা পাওয়া, চোখে মুখে ফোলা ভাব, হাঁসফাঁস লাগা, জিনসের বোতাম আটকাতে কষ্ট হওয়া প্রেগন্যান্সির লক্ষণ হতে পারে।

৯. মন মেজাজের উঠানামা: প্রেগন্যান্সির সময় মন মেজাজের কোন ঠিক থাকেনা। গর্ভবতী মায়ের শরীরে এ সময় হরমোন বদলের কারণে ব্রেনের অভ্যন্তরে মেসেজ বহনকারী নিউরোট্রান্সমিটারের পরিমানে পরিবর্তন আসে। এই পরিবর্তন একেক জনের একেক রকম হয়ে থাকে। সম্ভবা মা এসময় বেশ আবেগী অনুভব করেন, আবার অনেকে এসময় বিষন্নতা/দুশ্চিন্তায় ভোগেন।

১০. পেট ফুলে যাওয়া: হরমোনের পরিবর্তনের কারণে গর্ভবতী মায়ের পেট ফুলে যাওয়ার অনুভুতি হয়। এটা অনেকটা মাসিক হবার আগ মুহুর্তের অনুভুতি। এ সময় আপনার এরকম মনে হতে পারে যে, পরিধেয় বস্ত্র কোমরের কাছে ছোট হয়ে গেছে, যদিও এখন পর্যন্ত আপনার জরায়ুতে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি।

নরমাল ডেলিভারির জন্য করনীয়

আপনার মাসিক যদি সঠিক চক্র মেনে চলে এবং উপযুক্ত সময়ে যদি আপনার মাসিক না হয়, তবে উপরের উপসর্গগুলো দেখা না দিলেও আপনি বাসায় বসেই প্রেগনেন্সি টেস্ট করার কথা চিন্তা করতে পারেন। তবে আপনার মাসিক যদি অনিয়মিত হয়, তবে প্রেগন্যান্সির ১০ লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী কিনা।

যে সব খাবার গর্ভের বাচ্চা নষ্ট করে দেয়

যখন বুঝবেন আপনি প্রেগন্যান্ট, নিতে হবে একটু বাড়তি যত্ন। যেমন জানতে হবে কোন খাবার গর্ভপাত বাড়ায়। এড়িয়ে চলতে হবে সেই খাবার।

Published by:

ঔষুধ ছাড়া স্তন বড় করার উপায়

স্তন নারীর শাররীক সৌন্দর্যের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। কিশোরী বয়স্কা সব বয়সের নারীর কাছে বড় সুঠাম স্তন কাংখিত একটি বিষয়। একটি বড় সাইজের ও গঠনের স্তন নারীর শরীরের বাক তৈরি করে যা তাকে সুন্দরী, আত্নবিশাসী ও নারীত্তের স্বাদ দেয়। কিন্তু বাস্তবতা হল এই যে সকল নারী তার কাংখিত সাইজের স্তন পান না।

নারীর স্তন যদি ছোট হয়, তবে তা হয় ওই নারীর জন্য বিব্রতকর। নারীর পোষাক তার স্তনকে ধারন করে। কিন্তু সেই পোশাকে যদি স্তন ফুটে না উঠে তবে তা নারীর সাবলিলতা কেড়ে নেয়। তাই বিভিন্ন প্রোগ্রামে সে নিজেকে আবেদনময়ী করে তুলতে পারেনা। তাই অনেকে নারীই জানতে চান, স্তন বড় করার কি উপায় আছে কি?

হ্যা, স্তন বড় করার উপায় আছে। ঔষুধ সার্জারি করে একদিকে যেমন অল্প সময়ে স্তন বড় করা যায়, অন্যদিকে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ঔষুধ ছাড়া স্তন বড় করার উপায় আছে। আজকে আমাদের আলোচনার বিষয়  ঔষুধ ছাড়া স্তন বড় করার উপায়।

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ঔষুধ ছাড়া স্তন বড় করার উপায়:

স্তন বড় করার জন্য ঔষধ সেবন বা সার্জারি করা অবশ্যক নয়। ঘরোয়া পদ্ধতিতে ঔষুধ ছাড়া স্তন বড় করার উপায়কে তিন ভাবে ভাগ করা যায়ঃ

  1. খাবার
  2. ব্যায়াম
  3. ম্যাসাজ

যে খাবার স্তন বড় করে

  • দুধঃ আপনার স্তন পুরোটাই চর্বি যুক্ত। আর দুধ শরীরে চর্বি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত দুধ পান করে স্তন বড় করতে পারেন
  • পেঁপেঃ দুধ মিশ্রিত পেঁপে স্তনের সাইজ বাড়াতে সাহায্য করে। তবে গর্ভবতী মায়েরা এ খাবার এড়িয়ে চলবেন
  • সয়াবীজঃ খাবারে সয়াবীজ বা সয়াবীজের পাওডার মিশ্রিত করে খান 
  • বাদামঃবাদামে চর্বির এমন কিছু উপাদান আছে যা আপনার স্তনের টিস্যু গঠনে সহায়তা করে
  • সয়াবিনঃ সয়াবিন স্তন বড় করতে সাহায্য করে।
  • অন্যান্যঃ আপেল, মেথিবীজ, জল্পাই তেল, পীচ, আখরোট, আদা, চিনাবাদাম স্তন বড় করতে সাহায্য করে।  

স্তন বড় করার ব্যায়াম :

ব্যায়াম স্তন বড় করার বেশ উপকারি একটি পদ্ধতি। ব্যায়াম শুধু স্তনই বড় করবে না, আপনার শরীরের জন্যও এটি বেশ উপকারি। নিচে তেমনি কিছু ব্যায়াম নিয়ে আলোচনা কয়রা হলঃ 

  • পুশ আপঃ দুই হাত সোজা করে মাটিতে বা ফ্লোরে রেখে তার উপর ভর দিয়ে শড়ির সোজা করে রাখুন। এবার বুক ফ্লোরের দিকে পুশ করুন। একটু পর আগের যায়গায় ফিরে আসুন। এভাবে কয়েকবার। যদি তা না পারেন, তবে হাতের তালুর পরিবরতে কনুই ফ্লোরে রাখুন। এভাবে ২০ বার পুশ আপ করুন। প্রতিবার ১০ সেকেন্ড বিরতি দিন। সকাল বিকেল এই ব্যয়ামটি করুন।  
  • ওয়াল প্রেস: যারা পুশ আপ করতে পারেন না তারা ওয়াল প্রেস করতে পারেন। সোজা হয়ে একটি ওয়ালের সামনে দাড়ান। হাতের তালু দুটো ওয়ালের উপর রাখুন। শরীর সোজা রেখে বুক ওয়ালের দিকে প্রেস করুন। এভাবে ২০ বার ওয়াল প্রেস করুন। প্রতিবার ১০ সেকেন্ড বিরতি দিন। সকাল বিকেল এই ব্যয়ামটি করুন। 
  • ক্রান্সেসঃ পা বাকিয়ে পিঠের উপর ভর দিয়ে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার দুই হাত মাথার নিচে নিন। আপনার মাথা ধরে উপরে উঠান বসার মত করে। কিছুক্ষন রেখে ছেড়ে দিন। আবার করুন। এভাবে ১০-১৫ বার করুন দিনে দুইবার। 
  • হাত ঝুলানো:  হাত দুটো সোজা করে উপরে তুলে সোজা হয়ে টান টান করে দাড়ান। এর পর হাত দুটো ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরান। এভাবে ১০-১৫ সেকেন্ড করে ৫ সেকেন্ড বিরতি দিন। এবার ঘড়ির কাটার উলটা দিকে ঘুরান একই ভাবে। এভাবে ১০-১৫ মিনিট ব্যয়াম করুন দিনে একাধিকবার। 
  • ডাম্বেলঃ আপনি যদি জিমে জান বা বাসায় ড্রাম বেল থাকে তবে এই ব্যয়ামটি করতে পারেন। সোজা চিত হয়ে শুয়ে দ্রাম বেল দুটি হাতে নিন। এবার ড্রাম বেল দুটি উপরে তুলুন। কিছুক্ষন রেখে আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। বিরতি দিয়ে এভাবে কয়েকবার করুন। 
  • নিজ হাতে ঘরের কাজ: ঘরের কাজ অন্য অনেক ব্যায়ামের চেয়ে উপকারি। কারণ ঘরের কাজের মাধ্যমে আপনার শরীরের বিভিন্ন অংগ নাড়াচাড়া পায়। আর এটি শরীরের অন্যান্য অংগের মত স্তনের জন্যও উপকারি। 

নিয়মিত স্তন মাসাজ:

স্তন মাসাজের মাধ্যমে আপনি স্তন বড় করতে পারেন। স্তন মাসাজ করতে আপনি যা ব্যবহার করতে পারেঃ

  • ফ্লেক্সিড অয়েল
  • জলপাইয়ের তেল
  • স্তন বড় করার ক্রিম

যেভাবে মাসাজ করবেন-

  • প্রথমে আপনার স্তন দুটিতে তেল মাখুন
  • তেল নিয়ে আপনার স্তনের আশে পাশে ভালো করে মাসাজ করুন
  • এবার স্তন ক্লক ওয়াইজ মাসাজ করতে থাকুন
  • এর পর এন্টি ক্লক ওয়াইজ মাসাজ করুন। 

ঔষুধ ছাড়া নেচারাল পদ্ধতিতে স্তন বড় করতে কিছুটা সময় লাগে। তবে এ পদ্ধতিতে স্তন বড় করার কোন সাইড ইফেক্ট নেই। তাই একটু সময় নিতে ঔষুধ ছাড়া স্তন বড় করার পদ্ধতি অনুসরণ করুন।  আশা করি সুফল পাবেন।

Published by:

টিটি টিকা কি কেন এবং কখন নিতে হয়

টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) থেকে রক্ষ পাওয়ার জন্য টিটি টিকা নিতে হয়। টিটেনাস বা ধনুষ্টংকার রোগ একটি ঘাতক ব্যাধি এতে কোনও সন্দেহ নেই। এ রোগে আক্রান্ত অধিকাংশ রোগীই মৃতু্যর কোলে ঢলে পড়ে। আমাদের দেশে প্রতিবছর গড়ে বিশ থেকে পঁচিশ হাজার লোক শুধু এ-রোগে আক্রান্ত হয়েই মারা যায়। ধনুষ্টংকার হয় Clostridium tetani নামক ব্যাকটেরিয়া দিয়ে।

আমাদের দেশে অনেক মহিলা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সন্তান জন্ম দেন। ফলে মা ও শিশুর ধনুষ্টংকার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বাচ্চার নাড়ি কাটার সময় জীবাণুমুক্ত ব্লেড ও সুতা ব্যবহার না করলে ধনুষ্টংকারের জীবাণু শরীরে ঢুকে যায় এবং রোগে নবজাত শিশু মারা যায়। এসব কারণে সন্তান ধারণের উপযুক্ত বয়সী সব মহিলার এ টিকা নেয়া উচিৎ।

নারীর জন্য টিটি টিকা জরুরী কেন

সারাজীবনে মেয়েদের মত ছেলেদেরও ৫ বার টিটি টিকা নেয়া উচিৎ। যে-কোন ব্যক্তিরই যে-কোন মুহূর্তে কাটা ছেঁড়ার মাধ্যমে ধনুষ্টংকারের জীবাণু দেহে প্রবেশ করে ধনুষ্টংকার হতে পারে। যেহেতু আমাদের দেশে অনেক নবজাত শিশু ধনুষ্টংকার রোগে মারা যায়, তাই ১৫-৪৯ বছর বয়সী সব মেয়েদের টিটি টিকার দেয়ার জন্য সরকারী বেসরকারি কর্মসূচি রয়েছে।

সারাজীবনে ৫ বার টিটি টিকা নিতে হয়। এ টিকা যে-কোন সময়ে নেয়া যায়। তবে সরকারী কর্মসূচি অনুযায়ী ১৫ বছর বয়স থেকে টিকা দেয়া শুরু করতে হয় এবং নীচের সময়সূচি অনুযায়ী সারাজীবনে ৫ বার টিটি টিকা দিতে হয়। পুরা ডোজ শেষ করতে মোট ২ বছর ৭ মাস সময় লাগে।

কুসুম শিকদার জানালো তার নামে রিউমার ছড়ানো হচ্ছে

কখন টিটি দিতে হবে

টিটি ১ম ডোজ ১৫ বছর পূর্ণ হবার পর অথবা গর্ভবতী হলে ৪র্থ মাস থেকে।

টিটি ২য় ডোস টিটি ১ম ডোস দেয়ার ৪ সপ্তাহ পর।

টিটি ৩য় ডোস টিটি ২য় ডোস দেয়ার ৬ মাস পর অথবা পরবর্তী গর্ভবতী অবস্থায়।

টিটি ৪র্থ ডোস টিটি ৩য় ডোস দেয়ার ১ বছর পর অথবা পরবর্তী গর্ভবতী অবস্থায়।

টিটি ৫ম ডোজ টিটি ৪র্থ ডোস দেয়ার ১ বছর পর অথবা পরবর্তী গর্ভবতী অবস্থায়।

টিটেনাস বা ধনুস্টংকার কি, কেন হয়, লক্ষণ কি এবং তার চিকিৎসা

সূত্রঃ স্বামী স্ত্রীর মধুর মিলন

Published by:

গরমে আরাম পেতে ঢিলেঢালা পাতলা সুতি কাপড়

শীতকালে যেমন আমরা মোটা ও টাইট কাপড় পরি, গরম আসলে তার উল্টোটা পরতে হয়। যেমন একটু ঢিলেঢালা আর পাতলা কাপড়। সব থেকে ভাল হয় যদি সুতির পোশাক পরা হয়। প্রচণ্ড গরমে আপনাকে আরাম দেবে এই সুতির পোশাক।

 

গরমে সাদা সুতিকাপড় পুরুষের চেয়ে নারীরাই গরমে অস্বস্তিতে ভোগেন বেশি। কারণ পুরুষ গরমে যখন-তখন বদলাতে পারেন দেহের পোশাক। কিন্তু নারীরা তা পারেন না। এ ছাড়া নারীদেহে অতিরিক্ত মেদ জমার কারণে গরম অনুভূত হয় বেশি। চল্লিশ-ঊর্ধ্ব নারীদের রজঃনিবৃত্তির পরবর্তী সিনড্রোমে এমনিতেই উসকে দেয় যেন। যেসব নারী গর্ভনিরোধক বড়ি খেয়ে থাকেন, গরমে তাদের অসহনীয়তাও বাড়ে। বিভিন্ন ধরনের সাজগোজের কারণেও শরীরে বাতাস ঢুকতে বাধা পায়। এতে গরম বেশি লাগে। ফলে গরমে অসুস্থতার হার বেড়ে যায়।

 

গরমে সুতির ম্যাক্সি পরে থাকুন। আঁটসাঁট পোশাক পরবেন না। সাদা পোশাক পরুন। গরমে স্লিভলেস পরুন।  অন্তর্বাসও যেন সুতির হয়। সিনথেটিক ও টাইট পোশাক ব্যবহারে শরীর ঘেমে যাবে। শরীরের ভাঁজে ভাঁজে ঘাম জমা হয়ে সৃষ্টি হবে চুলকানিসহ বিভিন্ন চর্মরোগ।

 

সুতি কাপড় যেমন সহজলভ্য তেমনি স্বাস্থ্যসম্মত। তাছাড়া সুতির পোশাকে যে কোনো নারী-পুরুষের মধ্যে একটি মার্জিতভাব প্রকাশ পায়। সুতি সুতা মূলত প্রাকৃতিক তন্তু দিয়ে তৈরি। আর এগুলো আসে রেশম গুটি, কার্পাস তুলার বীজ ইত্যাদি উপাদান থেকে। এসব থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তন্তুগুলোকে আলাদা করে সুতা তৈরি হয়।

 

গরমে ঢিলেঢালা সুতির নরম পোশাক বেশ ঢিলেঢালা পাতলা সুতি কাপড়আরামদায়ক। কেননা তা জামা-কাপড়ের অভ্যন্তরে বায়ু চলাচলে সাহায্য করে এবং শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। তাই খুব সহজেই চলাফেরা ও কাজকর্ম করতে সুবিধা হয়। লিনেনের তৈরি কাপড়ও ব্যবহার করা যায়। এটাও হালকা, বায়ু চলাচলকারী ও আরামদায়ক। তবে গরমে সুতির কাপড়ই সবচেয়ে ভালো। তা অতিরিক্ত ঘাম শুষে নিয়ে অস্বস্তি থেকে বাঁচায়।

 

গরমে হালকা রং, যেমন আকাশি, হালকা সবুজ, লেমন, অফ-হোয়াইট, সাদা ইত্যাদি রঙের কাপড় পরা দরকার। এসব রঙের তাপ শোষণ করার ক্ষমতা অনেক কম। তাই গাঢ় রঙের কাপড়ের মতো তেতে উঠতে পারে না। সর্বোপরি গরমের পোশাক হবে হালকা রঙের উপযুক্ত মাপে তৈরি ঢিলেঢালা ও প্রয়োজনমতো খাটো সুতির হাফ শার্ট। প্যান্টও হবে অনেকটা সেরকম। পকেটে একটা সুতির রুমাল থাকলে প্রয়োজনে ঘাড়, গলা ও মুখের ঘাম মুছে গরমের যন্ত্রণা অনেকটা কমানো যায়। রোদে চলতে হলে জিন্স অথবা টাইট-ফিট পোশাক না পরে ঢিলেঢালা কাপড় পরা দরকার।

 

গরমে সুতি কাপড়তবে গরমকালে সাদা রঙের পোশাকের জয়জয়কার সবসময়ই। আবার পোশাকে খুব বেশি টাইট ফিটিংস হলেও কিন্তু সেটা খুব একটা স্বস্তিদায়ক হবে না। একটু ঢিলেঢালা হলেই বরং ভালো হয়। যারা হাইনেক পরেন তারা এ গরমে একটু কলার ছাড়া বড় গলা পরে দেখতে পারেন। আরাম পাবেন। আর হাতাও অবশ্যই ছোট দিতে হবে। গরমে ফুল স্লিভ কিংবা থ্রি-কোয়ার্টার আরামদায়ক নয়। গরমে আরাম পেতে পরুন স্লিভলেস।  গরমে খুব উজ্জ্বল আর গাঢ় রং মোটেও শোভন নয়। হালকা রঙের পোশাক পরলে আপনাকে যেমন দেখতে ভালো লাগবে তেমনি আপনি স্বস্তিতে চলাফেরা ও প্রয়োজনীয় কাজটাও করতে পারবেন।

 

সুতি কাপড়ের সঙ্গে লিনেন, দুপিয়ান, ভয়েল, মসলিন, চিকেন ও তাতের কাপড় গরমের জন্য বেশ উপযোগী। উৎসবে পরতে পারেন কৃত্রিম মসলিন বা পাতলা চোষা কাতান। আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো বেশিরভাগই সুতি কাপড় দিয়ে তাদের পোশাক তৈরি করে থাকেন। কাজেই আপনার পছন্দসই পোশাক কিনে নিতে পারেন যে কোনো ফ্যাশন হাউস থেকে। আবার চাইলে আপনি নিজেই হতে পারেন আপনার পোশাকের ডিজাইনার। বাজারে এরই মধ্যে এসে গেছে গরমের উপযোগী রং ও ডিজাইনের থান কাপড়।

Published by:

মাসিক কত দিন পর পর হয়

কিশোরী বয়স থেকে একজন নারীর মাসিক শুরু হয়। তাই কিশোরীদের মধ্যে এটা জানার আগ্রহ প্রবল যে মাসিক কত দিন পর পর হয়। তাই আজ আমরা আলোচনা করবো এই বিষয়টা নিয়ে।

আপনার মাসিক কতদিন পর পর হবে তা জানতে হলে আপনাকে প্রথম জানতে হবে পিরিয়ড বা মাসিক কি এবং কেনো হয়

আগের মাসিক শুরুরর প্রথম দিন থেকে পরের মাসিক শুরুর প্রথম দিনের দূরত্বকে মাসিক চক্র বলে। এই মাসিক চক্রই বলে দেয় আপনার মাসিক কতদিন পর পর হতে পারে। সাধারণত দুই মাসিকের মাঝে ২৮ দিনের ব্যবধান হয়ে থাকে। তবে সবার ক্ষেত্রে ২৮ দিনই হবে এমন নয়। আর এমন না হওয়াটা আসাভাবিক নয়। কারো মাসিক ২১ দিন পর হতে পারে আবার আপনার পাশের মেয়েটির মাসিক ৪১ দিন পর পর হতে পারে। আবার আপনার সবকটি মাসিক একই দিনের ব্যবধানে হবে এমন নয়।

একজন নারীর মাসিক চক্রকে বেশ কয়েকটি পর্বে ভাগ কয়রা যায়। চলুন এই পর্ব গুলো নিয়ে আলোচনা কয়রা যাক।

মাসিক চক্রের প্রথম ৭ থেকে ১০ দিন নারীর দেহেমাসিক কতদিন পর পর হয় ডিম্বাণু জন্ম নেয় এবং বড় হতে থাকে। এ পর্ব শুরু হয় আপনার ব্লিডিং বন্ধ হবার পর থেকে। এ সময় অনিরাপদ যৌন মিলনে সন্তান ধারনের সম্ভাবনা খুব কম থাকে।

২য় পর্ব শুরু হয় আপনার মাসিক চক্রের মাঝা মাঝি সময় থেকে ৩ দিন। যেমন, আপনার মাসিক চক্র যদি ২৮ দিনের হয়, তবে এ পর্ব শুরু হয় ১৪ দিন থেকে। মেয়াদ থাকে ৩ দিন। এ সময় যৌন মিলনে গর্ভধারণের সম্ভাবনা সব চেয়ে বেশী। কারণ এ সময় ডিম্বাণু পরিপক্ব হয় এবং শুক্রানুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এ সময় মেয়েরা পুরুষের সান্নিধ্য চায়।

২য় পর্বে ডিম্বাণু যদি শুক্রানুর সংস্পর্শ না পায় তবে ৩য় পর্বে তার কার্যকারিতা হ্রাস পেতে থাকে এবং ভেঙে বিনষ্টের পথে এগুতে থাকে। এ সময়ও যৌনমিলনে ঝুঁকি কম থাকে। এর মেয়াদ সাধারনত ৭ থেকে ১১ দিন হয়ে থাকে।

শেষ পর্বটিকে মেয়েরা সাধারণত পিরিয়ড বা মাসিক বলে থাকে। কারণ এ সময় ডিম্বাণু বিনষ্ট হয়ে রক্তের সাথে বেরিয়ে আসে। এটি আসলে নারীকে পরের পর্বে নতুন ডিম্বানু জন্মের জন্য প্রস্তুত করে। এর মেয়াদ ৪ থেকে ৭ দিন হয়ে থাকে।

তবে এ দিনগুলো একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। বিভিন্ন বয়সেও মাসিক চক্র বিভিন্ন রকম হতে পারে।  আগের ছয়টি মাসিক চক্রের ভিত্তিতে আপনি গড় বের করতে পারেন যা থেকে আপনি আপনার পরবর্তী মাসিকের সম্ভাব্য তারিখ অনুমান করতে পারেন।

Published by:

প্রাকৃতিক উপায়ে চুল পড়া বন্ধের ১০ উপায়

চুল নারীর সৌন্দর্য্যের অন্যতম একটি অংশ। চুল পড়া বন্ধে বিউটি পার্লারে চিকিৎসা নেয়ার চেয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার বেশি কার্যকর। কেননা পার্লারে নেয়া চিকিৎসা পদ্ধতি দ্বারা চুল পড়া সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। এখানে প্রাকৃতিক উপায়ে চুল পড়া বন্ধের ১০ উপায় দেয়া হলো:

 

১. সপ্তাহে নূন্যতম দু’দিন মেহদি পাতা এবং তার সঙ্গে ৪/৫টি লাল রক্ত জবা বেঁটে নিন। এবার এটি মাথায় মাখার আগে চুলে সামান্য করে তেল লাগিয়ে নিন, না হলে চুল লাল হয়ে যেতে পারে। এবার মাথার গোড়া থেকে শুরু করে আগা পর্যন্ত লাগিয়ে ৩০-৪০ মিনিট রেখে ভালো ভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। যেদিন এটি করবেন সেদিন মাথায় স্যাম্পু না করাই ভালো। আর পরের দিন অবশ্যই স্যাম্পু করুন। এ পদ্ধতি অনুসরণে আপনার চুল পড়া যেমন রোধ হবে, তেমনি চুল কালো হবে।

 

২. নারকেল তেলের সঙ্গে এক থেকে দু টেবিল চামচ (চুলের পরিমান অনুয়ায়ী) কাষ্টার্ড অয়েল মিশিয়ে চুলে ভালো ভাবে ম্যাসেজ করলে চুল পড়া কমে।

 

৩. মাথায় যদি সামান্য টাক পড়ে যেতে লাগে, তাহলে একটি মাঝারি সাইজের পেয়াজ অর্ধেক করে কেটে টাক পড়ে যাওয়া জায়গায় ভালোভাবে ঘসতে হবে।

 

চুল পড়া বন্ধের ১০ উপায়৪. কালমেঘ পাতা বেঁটে রস করে সপ্তাহে দু’দিন মাথায় লাগালে মাথা ঠান্ডা থাকে, মাথার চুল কাল হয় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

 

৫. যাদের মাথা গরম হয়ে যাবার সমস্যা আছে তাদের জন্য বড় চিন্তার বিষয় হচ্ছে মাথা গরম হলে চুল পড়ে। এক্ষেত্রে এলোভেরা পাতার ভিতরের নির্যাস বের করে ভালোভাবে ফেটে মাথার তালুতে লাগালে মাথা ঠান্ডা থাকে এবং চুল পড়া কমে যায়।

 

৬. আমলকীর চূর্ণ বা গুড়া নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে ভালোভাবে মাথায় মালিশ করুন। ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

 

৭. প্রতিদিন ২০-২৫গ্রাম পাকা আমলকি খেলে চুল পড়া এবং চুল পাকা সমস্যা প্রশমিত হয়।

 

৮. বেদানার পাতা, খোসা এবং দানা একসাথে বেঁটে তাতে সরিষার তেল দিয়ে হালকা আঁচে গরম করুন। গরম তেল ঠান্ডা করে ছেঁকে বোতলে রেখে দিন। প্রতিদিন দু’ থেকে তিন বার এ তেল মাথায় ম্যাসেজ করলে টাক সমস্যার সমাধান হয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

 

৯. সজীব ধনে পাতা বেঁটে তার রস বের করে চুলের গোড়ায় মালিশ করলে চুল ঝলমলে, নরম, কালো হয়। আর সাথে সাথে চুল পড়া বন্ধ হয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

 

১০. স্বর্ণ লতা বেঁটে রস করে নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে মাথায় ম্যাসেজ করে ১০-১৫ মিনিট রেখে স্যাম্পু করলে চুল পড়া কমে এবং চুল ঘন হয়। কিন্তু যাদের এলার্জির সমস্যা আছে, তারা এটি সতর্কতার সাথে ব্যবহার করবেন।

 

Published by:

গর্ভনালীতে ব্লক কেনো হয় এবং চিকিত্‍স্যা কি?

গর্ভনালীতে ব্লক(fallopian tube blockage) মহিলা বন্ধ্যাত্ব একটি প্রধান কারণ. অবরুদ্ধ গর্ভনালী/টিউব ব্লক ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু মিলিত হতে বাধা দেয়. যার কারণে মহিলাদের গর্বধারণ অসম্ভব হয়ে পড়ে. প্রায় ২০ ভাগ মহিলার বন্ধ্যাতের কারণ গর্ভনালীতে ব্লক.

গর্ভনালীতে ব্লক কি?

যৌন মিলনের পর পরুষের শুক্রানু যে টিউবের পথ ধরে নারীর ডিম্বানু কোষ এ গিয়ে ডিম্বানুর সাথে মিলিত হয় সে পথ যদি বন্ধ হয়ে যায়, তাকে গর্ভনালীতে ব্লক বলে.

গর্ভনালীতে ব্লক কেন হয়?

  • যৌন প্রদাহজনিত রোগ:  ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট হয়ে এই রোগ যৌন পথ  বা জরায়ুর থেকে ছড়িয়ে গর্ভনালীতে ব্লক সৃষ্ঠি করে
  • এন্ড্রমেট্রিউসিস: যখন এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যু ইউটেরাসের পরিবর্তে দেহের অভ্যন্তরে অন্য স্থানে তৈরি হয় তখন এই সমস্যা দেখা দেয়
  • ক্ষতিগ্রস্থ গর্ভনালী

উপসর্গ: কখন বুঝবেন গর্ভনালীতে ব্লক হয়েছে?

কোন উপসর্গই দেখা না দিতে পারে. কখন কখন নিন্মলিখিত উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে:

  • জ্বর
  • তলপেটে ব্যথা থাকে
  • নতুন বা ভিন্ন স্রাব
  • যৌন মিলনে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়ার
  • অনিয়মিত মাসিক
  • মাসিকের সময় খুবই অস্বাভাবিক ব্লিডিং থাকা

চিকিত্‍স্যা:

ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন

ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন

  • ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন: ডিম আপনার ডিম্বাশয় থেকে সরিয়ে ফেলা হয় এবং একটি পরীক্ষাগার fertilization গ্লাসে শুক্রাণু সঙ্গে মিশানো হয়
  • Tuboplasty:অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গর্ভনালীর সুস্পষ্টতা এবং কার্যকরী পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করা হয়.
  • বিকল্প ওষুধ: বিকল্প ওষুধের মাধ্যমে চিকিত্‍স্যা করা হয়
Published by:
//GA Code Start //GA code end