বিয়েরতো কয়েক বছর হল। এবার ভাবছেন বেবি নিবেন। সে অনুযায়ী চেষ্টাও করেছেন। পিরিয়ড হওয়ার সময় এখনো হয়নি। কিন্তু মন সারাক্ষণ জানতে চায়, এবার হবেতো? কিভাবে জানবেন আপনি প্রেগন্যান্ট কিনা?
চলুন জেনে নেই প্রেগন্যান্সি টেস্টের আগেই কিভাবে প্রেগন্যান্সির ১০ লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী
প্রেগন্যান্সির ১০ লক্ষণ
১. স্তন বড়, ভারী ও স্পর্শককাতর: আপনার গর্ভে ভ্রুণ আসলে শরীরে হরমনের পরিবর্তন হতে থাকে। আপনার স্তন ব্যথা করে। সেই সাথে ভারী ও স্পর্শকাতর থাকে। হালকা স্পর্শে জেগে উঠে। এমন কিছু আপনাকে আগাম সংকেত দিচ্ছে, আপনি প্রেগন্যান্ট।
২. খিদে বাড়ে ও অরুচি : আপনি প্রেগন্যান্ট হলে খিদে বাড়বে আপনার। কিছুক্ষণ পর পরই ক্ষুদা লাগবে। একই সাথে খাবারে অরুচি দেখা দিবে। নিজের অনেক পছন্দের খাবারও বিষের মত লাগবে।
৩. ক্লান্তিবোধ: আপনি যদি প্রেগন্যান্ট হন, তবে কোন কারণ ছাড়াই আপনার সারাদিন ক্লান্তি বোধ হবে। আসলে কেউই এখন পর্যন্ত ব্যাখ্যা করতে পারেনি সন্তান সম্ভবা মা’র প্রথম দিকের ক্লান্তির কারণ কি। সম্ভবত প্রোজেস্ট্রেরন হরমোনের ক্রমবর্ধমান প্রবাহ আপনাকে এই ঘুম ঘুম অনুভুতি দিচ্ছে। এছাড়াও মর্নিং সিকনেস ও বার বার প্রস্রাব করাও আপনার ক্লান্তিবোধ বাড়াতে কাজ করছে।
৪. বর্ধিত শারীরিক তাপমাত্রা: আপনি প্রেগন্যান্ট হলে স্বাভাবিকের চেয়ে আপনার শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাবে। যদি আপনি নিয়মিত আপনার শরীরের তাপমাত্রার চার্ট রেখে থাকেন, এবং যদি দেখেন একনাগাড়ে ১৮ দিনের বেশি তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, তবে খুব সম্ভবত আপনি গর্ভবতী।
৫. রক্তক্ষরণ, ব্যথা ও টান ধরা: পেটে ভ্র্রুণ আসায় আপনার জরায়ু বড় হতে শুরু করবে। তাই আপনার পেটে টান ধরবে এবং পেটে ব্যথা হবে। পিরিয়ড শুরু হওয়ার নির্দিষ্ট দিনের আগে হালকা রক্তক্ষরণ বা পেটে প্রচন্ড টান ধরা ব্যথাও প্রেগন্যান্সির লক্ষণ। ভ্রুণ সঞ্চার হওয়ার প্রথম পাঁচ থেকে দশ দিনের মধ্যে এমন হতে পারে। রক্তক্ষরণ হলেই অনেকে ভাবেন পিরিয়ড শুরু হয়ে গেল, এ বার হল না। এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়।
৬. বমি ভাব, গন্ধ লাগা: গর্ভাবস্থার প্রথম কয়েক সপ্তাহে পেটে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব প্রেগন্যান্সির লক্ষণ। প্রোজেস্টেরন হরমোন শরীরে বেড়ে গেলে পেট গুলিয়ে ওঠে। অন্য দিকে ইস্ট্রোজেন ও এইচসিজি হরমোনের প্রভাবে হালকা গন্ধও খুব জোরালো মনে হয়। মাঝে মাঝেই বমি পায়। এ রকম হলে অবশ্যই প্রেগন্যান্সি টেস্ট করান।
৭. ঘন ঘন প্রস্রাব: প্রেগন্যান্সির প্রথম কয়েক সপ্তাহে ঘন ঘন প্রস্রাব পেতে পারে। শরীরে নতুন তৈরি হওয়া এইচসিজি হরমোন কিডনিতে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। ইউটেরাস বড় হতে থাকলে ব্লাডারে চাপ পড়ে। ফলে ঘন ঘন প্রস্রাব পায়।
৮. গলা শুকিয়ে আসা: জল তেষ্টা পাওয়া, চোখে মুখে ফোলা ভাব, হাঁসফাঁস লাগা, জিনসের বোতাম আটকাতে কষ্ট হওয়া প্রেগন্যান্সির লক্ষণ হতে পারে।
৯. মন মেজাজের উঠানামা: প্রেগন্যান্সির সময় মন মেজাজের কোন ঠিক থাকেনা। গর্ভবতী মায়ের শরীরে এ সময় হরমোন বদলের কারণে ব্রেনের অভ্যন্তরে মেসেজ বহনকারী নিউরোট্রান্সমিটারের পরিমানে পরিবর্তন আসে। এই পরিবর্তন একেক জনের একেক রকম হয়ে থাকে। সম্ভবা মা এসময় বেশ আবেগী অনুভব করেন, আবার অনেকে এসময় বিষন্নতা/দুশ্চিন্তায় ভোগেন।
১০. পেট ফুলে যাওয়া: হরমোনের পরিবর্তনের কারণে গর্ভবতী মায়ের পেট ফুলে যাওয়ার অনুভুতি হয়। এটা অনেকটা মাসিক হবার আগ মুহুর্তের অনুভুতি। এ সময় আপনার এরকম মনে হতে পারে যে, পরিধেয় বস্ত্র কোমরের কাছে ছোট হয়ে গেছে, যদিও এখন পর্যন্ত আপনার জরায়ুতে তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি।
আপনার মাসিক যদি সঠিক চক্র মেনে চলে এবং উপযুক্ত সময়ে যদি আপনার মাসিক না হয়, তবে উপরের উপসর্গগুলো দেখা না দিলেও আপনি বাসায় বসেই প্রেগনেন্সি টেস্ট করার কথা চিন্তা করতে পারেন। তবে আপনার মাসিক যদি অনিয়মিত হয়, তবে প্রেগন্যান্সির ১০ লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনি গর্ভবতী কিনা।
যখন বুঝবেন আপনি প্রেগন্যান্ট, নিতে হবে একটু বাড়তি যত্ন। যেমন জানতে হবে কোন খাবার গর্ভপাত বাড়ায়। এড়িয়ে চলতে হবে সেই খাবার।




পুরুষের চেয়ে নারীরাই গরমে অস্বস্তিতে ভোগেন বেশি। কারণ পুরুষ গরমে যখন-তখন বদলাতে পারেন দেহের পোশাক। কিন্তু নারীরা তা পারেন না। এ ছাড়া নারীদেহে অতিরিক্ত মেদ জমার কারণে গরম অনুভূত হয় বেশি। চল্লিশ-ঊর্ধ্ব নারীদের রজঃনিবৃত্তির পরবর্তী সিনড্রোমে এমনিতেই উসকে দেয় যেন। যেসব নারী গর্ভনিরোধক বড়ি খেয়ে থাকেন, গরমে তাদের অসহনীয়তাও বাড়ে। বিভিন্ন ধরনের সাজগোজের কারণেও শরীরে বাতাস ঢুকতে বাধা পায়। এতে গরম বেশি লাগে। ফলে গরমে অসুস্থতার হার বেড়ে যায়।
আরামদায়ক। কেননা তা জামা-কাপড়ের অভ্যন্তরে বায়ু চলাচলে সাহায্য করে এবং শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। তাই খুব সহজেই চলাফেরা ও কাজকর্ম করতে সুবিধা হয়। লিনেনের তৈরি কাপড়ও ব্যবহার করা যায়। এটাও হালকা, বায়ু চলাচলকারী ও আরামদায়ক। তবে গরমে সুতির কাপড়ই সবচেয়ে ভালো। তা অতিরিক্ত ঘাম শুষে নিয়ে অস্বস্তি থেকে বাঁচায়।
তবে গরমকালে সাদা রঙের পোশাকের জয়জয়কার সবসময়ই। আবার পোশাকে খুব বেশি টাইট ফিটিংস হলেও কিন্তু সেটা খুব একটা স্বস্তিদায়ক হবে না। একটু ঢিলেঢালা হলেই বরং ভালো হয়। যারা হাইনেক পরেন তারা এ গরমে একটু কলার ছাড়া বড় গলা পরে দেখতে পারেন। আরাম পাবেন। আর হাতাও অবশ্যই ছোট দিতে হবে। গরমে ফুল স্লিভ কিংবা থ্রি-কোয়ার্টার আরামদায়ক নয়। 
ডিম্বাণু জন্ম নেয় এবং বড় হতে থাকে। এ পর্ব শুরু হয় আপনার ব্লিডিং বন্ধ হবার পর থেকে। এ সময় অনিরাপদ যৌন মিলনে সন্তান ধারনের সম্ভাবনা খুব কম থাকে।
৪. কালমেঘ পাতা বেঁটে রস করে সপ্তাহে দু’দিন মাথায় লাগালে মাথা ঠান্ডা থাকে, মাথার চুল কাল হয় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
