oporazita – NariBangla
NariBangla » Blog Archives

Author Archives: oporazita

শবনম বুবলি – সংবাদ পাঠিকা থেকে নায়িকা হওয়ার গল্প

ছিলেন বেসরকারী চ্যানেল বাংলাভিশনের সংবাদ পাঠিকা। কোনদিন অভিনয় করেন নি – না মঞ্চে, না ছোটপর্দায়। কিন্তু সেই তিনিই যখন চলচ্চিত্রে পদার্পন করলেন তখন সাড়া পড়ে গেল চারদিকে। শুরুতেই শাকিব খানের বিপরীতে, নায়িকা চরিত্রে। যে চরিত্রে অভিনয়ের জন্য অপু বিশ্বাসের কথাই শোনা যাচ্ছিল সবচে’ বেশি। কিন্তু অপু বিশ্বাস সরে গেলে সে জায়গায় পূর্ণিমা, মাহিয়া মাহি, নুসরাত ইমরোজ তিশা এমনকি কলকাতার কোয়েল মল্লিকের নামও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বসগিরি চলচ্চিত্রের নায়িকা হিসেবে যিনি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের সামনে উপস্থিত হন তিনি শবনম বুবলি।

 

 তিনি বাংলাভিশনে সংবাদ পাঠ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ২০১৬ সালে বসগিরি চলচ্চিত্র দিয়ে বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন।

প্রাথমিক জীবন

বুবলি বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক পাস করেন। পরে দুই বছর এলএলবি পড়েন, কিন্তু তা শেষ করেন নি। মাঝে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ এমবিএতে ভর্তি হন এবং তার কাজের ফাঁকে ফাঁকে ক্লাস করেন।

চার ভাই বোনের মধ্যে বুবলি তৃতীয়। তার বড় বোন নাজনীন মিমি একজন সঙ্গীতশিল্পী এবং মেজবোন শারমিন সুইটি একটি বেসরকারী চ্যানেলের সংবাদ পাঠিকা।

কর্মজীবন

বুবলির কর্মজীবন শুরু হয় সংবাদ পাঠ দিয়ে। তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশন-এ ২০১৩ সালে সংবাদ পাঠ শুরু করেন। ২০১৬ সালে বসগিরি চলচ্চিত্রের পরিচালক শামীম আহমেদ রনি তাকে এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি সম্মত হন। অপু বিশ্বাসকে এই চরিত্রের জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল। পরে অপু নিজেকে এই চলচ্চিত্র থেকে সরিয়ে নিলে তার স্থানে বুবলিকে নির্বাচন করা হয়। এই চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে অভিনয় করেন শাকিব খান। এই ছবির শুটিং চলাকালীন তিনি শুটার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব পান। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজু চৌধুরী এবং এই ছবিতেও তার বিপরীতে ছিলেন শাকিব খান। চলচ্চিত্র দুটি ঈদুল আযহায় সারাদেশে মুক্তি পায়।

 

Published by:

ত্রৈমাসিক হিসাবে গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকায় কি থাকা উচিৎ কি থাকা উচিৎ নয়

গর্ভবতীকালীন সময়টি একটি নারীর জন্য অত্যন্ত জটিল একটি সময়। কারন এই সময় নারীকে একদিকে অনাগত সন্তনের কথা চিন্তা করে চলতে হয়, অন্যদিকে নিজের কথাও চিন্তা করতে হয়। আর খাবার এই সময়  গর্ভবতী নারীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই আজকে আমরা আলোচনার বিষয়, ত্রৈমাসিক হিসাবে গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকায় কি থাকা উচিৎ কি থাকা উচিৎ নয়।

জরায়ু বড় হওয়ার কারন কি, সমাধান কি

গর্ভবতীকালীন সময় একটি নারী চিন্তিত থাকেন কি খাবেন আর কি খাবেন না এ নিয়ে। তাদের চিন্তার কারন এক দিকে কোন খাবার বাচ্চার কোন ক্ষতি করবে না, বাচ্চাকি যথেষ্ট পুষ্টি দিবে। আবার অন্যদিকে তাদের চিন্তা করতে হয় বেশী খাবারের কারনে তিনি জেন মুটিয়ে না যান। তাই চলুন গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকা নিয়ে জটিল হিসাব নিকাশটা আজকে করা যাক।

ব্রণ ও মুখে ক্ষত গর্ত এবং দাগ

চলুন প্রথমে জেনে নেই গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকা নির্বাচনে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখা উচিৎ-

  • গর্ভের সন্তানের সঠিক বৃদ্ধি
  • গর্ভবতী মায়ের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা
  • সঠিক প্রসবের জন্য মায়ের সঠিক শক্তি বৃদ্ধি করা
  • মায়ের পর্যাপ্ত পরিমান বুকের দুধ সরবারহ করা

গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকায় যা থাকা উচিৎ

আমরা জেনে নিলাম একটু সঠিক খাদ্য তালিকা কেন একজন গর্ভবতীর জানা ও মানা জরুরী। এবার চলুন জেনে নেই গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকায় কি কি থাকা জরুরী।

গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকায় যা থাকা উচিৎ

  • আমিষ বা প্রোটিন
  • চর্বি বা ফ্যাট
  • শর্করা বা কারবোহাইড্রেড
  • ক্যালসিয়াম
  • ভিটামিন
  • লোহ ও ফলিক এসিড
  • ক্যালরি

এবার চলুন কি কি খাবার আপনাকে এই উপাদানগুলো প্রদান করবে ।

গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকা-

  • ভাত/রুটি / পাউরুটি
  • ডিম/ দুধ
  • সবজি
  • মুড়ি / বিস্কিট / কেক
  • মাছ / মাংস
  • নুডুলস / ছোলামুড়ি/ সেমাই
  • ডাল

মেয়েদের স্তন বড় হওয়ার কারন ও সমাধান

এবার চলুন ত্রৈমাসিক হিসাবে একজন গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকা কখন কি থাকা উচিৎ।

ত্রৈমাসিক হিসাবে একজন গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকা – প্রথম তিন মাস

সকালের নাস্তাঃ সকালের নাস্তায় ২ পিস রুটি বা পাওরুটি খাবেন। সাথে খাবেন ১টি ডিম বা ১০ গ্রাম ডাল। আর সবজি খাবেন ইচ্ছে মত।

সকাল ১০/১১ টাঃ সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাবারের মাঝে সকাল ১০-১১ টার দিকে মুড়ি/ বিস্কিট/ কেক ইত্যাদি খেতে পারেন। তবে খাবেন ৬০ গ্রামের মত পরমানে। সাথে ফল খেতে পারেন।

দুপুরের খাবারঃ দুপুরে ২ কাপ পরিমান ভাত খাবেন, সাথে ৬০ গ্রাম পরিমান মাছ অথবা মাংস। মাঝারি ঘন ডাল খাবেন আধা কাপ। সবজি খেতে পারেন ইচ্ছে মত।

বিকেলের নাস্তাঃ বিকেলে খাবেন সেমাই/ ছোলামুড়ি অথবা নুডুলস ৩০ গ্রাম পরিমানে।

রাতের খাবারঃ দুপুরের খাবারের পরিমান রাতে খাবেন। শোয়ার আগে এক কাপ দুধ খাবেন।

মাসিক বন্ধ হওয়ার কারণ?

ত্রৈমাসিক হিসাবে একজন গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকা – দ্বিতীয় তিন মাস

সকালের নাস্তাঃ সকালের নাস্তায় ৩ পিস রুটি বা পাওরুটি খাবেন। সাথে খাবেন ১টি ডিম বা ২ টুকরো মাংস। আর সবজি খাবেন ইচ্ছে মত।

সকাল ১০/১১ টাঃ এ সময় ১ কাপ দুধ খাবেন। ৩০ গ্রাম পরিমানে মুড়ি/ বিস্কিট/ কেক ইত্যাদি খাবেন। সাথে ফল খেতে পারেন।

দুপুরের খাবারঃ দুপুরে ২.৫ কাপ পরিমান ভাত খাবেন, সাথে ৮০ গ্রাম পরিমান মাছ অথবা মাংস। মাঝারি ঘন ডাল খাবেন এক কাপ। সবজি খেতে পারেন ইচ্ছে মত।

বিকেলের নাস্তাঃ বিকেলে খাবেন সেমাই/ ছোলামুড়ি অথবা নুডুলস ৪০ গ্রাম পরিমানে।

রাতের খাবারঃ দুপুরের খাবারের পরিমান রাতে খাবেন। শোয়ার আগে এক কাপ দুধ খাবেন।

নারীর মুখে অবাঞ্চিত লোম কেন হয় এবং প্রতিকার কি

ত্রৈমাসিক হিসাবে একজন গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকা – শেষ তিন মাস

সকালের নাস্তাঃ সকালের নাস্তায় ৪ পিস রুটি বা পাওরুটি খাবেন। সাথে খাবেন ১টি ডিম। আর সবজি খাবেন ইচ্ছে মত।

সকাল ১০/১১ টাঃ এ সময় ১ কাপ দুধ খাবেন। ৬০ গ্রাম পরিমানে যে কোন নাস্তা খাবেন। সাথে ফল খেতে পারেন।

দুপুরের খাবারঃ দুপুরে ৩ কাপ পরিমান ভাত খাবেন, সাথে ১০০ গ্রাম পরিমান মাছ অথবা মাংস। ঘন ডাল খাবেন এক কাপ। সবজি খেতে পারেন ইচ্ছে মত।

বিকেলের নাস্তাঃ ৬০ গ্রাম দুধ বা দুধের তৈরি নাস্তা বা ডালের তৈরি নাস্তা খাবেন।

রাতের খাবারঃ দুপুরের খাবারের পরিমান রাতে খাবেন। শোয়ার আগে এক কাপ দুধ খাবেন।

এখানে কিছু রুটিন খাবারের কথা বলা হয়েছে। তবে আপনার জন্য এ খাবারে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে আপনার শাররিক অবস্থা, বয়স ইত্যাদির কারনে। তাই বিশেষক্ষের উপদেশ গ্রহন করুন।

গর্ভবতী মায়ের খাদ্য তালিকায় যা থাকা উচিৎ নয়ঃ

  • কাঁচা ডিম
  • অর্ধ সিদ্ধ মাংস
  • অপাস্তরিত দুধ
  • কলিজা বা কলিজার তৈরি খাবার
  • ক্যাফেইন
  • সামদ্রিক মাছ
  • কাঁচা বা আধা পাকা পেপে

পরিশেষে অবশ্যই বিষেশজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ি আপনার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য তালিকা প্রস্তুত করে নিন।

Published by:

ব্রণ ও মুখে ক্ষত গর্ত এবং দাগ

ব্রণ ও মুখে গর্ত, দাগ?? ঘরে থাকা সাধারণ এই জিনিসটি মেখে মাএ ৪ দিনে দুর করুন ক্ষত, গর্ত এবং দাগ।

ব্রণের সাথে যুদ্ধ করেননি এমন মানুষ কমই আছে। নানা কারণেই ব্রণ হতে পারে। ব্রন যেকোন বয়সের মানুষের ত্বকেই দেখা দিয়ে থাকে বিশেষ করে টিনএজারদের ত্বকে ব্রণের সমস্যা সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে।


এরপর হয়তো একটি সময় ব্রন সমস্যা রোধ হয় কিন্তু পুরোপুরি রোধ হয় না। তৈলাক্ত ত্বকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্রন হতে দেখা যায়। ব্রন স্বাভাবিক ভাবেই ত্বকের সৌন্দর্য নষ্ট করে থাকে কিন্তু সবচেয়ে বেশি খারাপ তখনই লাগে যখন ব্রণের ক্ষত দাগ আমদের ত্বকে রিয়ে যায় যাকে মূলত একনে স্কার বলা হয়।


ব্রন হাত দিয়ে খুঁটলে এমন দাগ দেখা দেয় ত্বকে। আর এই ক্ষত দাগগুলোকে ত্বক হতে খুব সহজে রোধ করা যায় না। কিছু প্রাকৃতিক উপায়ে এই দাগগুলো সারিয়ে তোলা যায় কিন্তু এটি অনেক সময়ের ব্যাপার। তাই চলুন জেনে নিই ব্রণের ক্ষত দাগ সারাতে কী করবেন।

ব্রণের ক্ষত দাগ ভরাট করার উপায়-

চিনি দিয়ে স্ক্রাব
যাঁদের ত্বকে ব্রনের অনেক ক্ষত দাগ রয়েছে তারা চিনি ব্যবহার করতে পারেন দাগ রোধ করতে। কারণ চিনিতে আছে এমন কিছু উপাদান যা ত্বকের মৃত কোষ রোধ করে এবং নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। পরিমাণ মতো চিনি নিয়ে তাতে সামান্য অলিভ ওয়েল ও লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর ত্বকে ম্যাসেজ করুন। ১০/১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে ২/৩ বার ত্বকে চিনির এই পেস্ট ব্যবহার করুন। কিন্তু ত্বক পরিষ্কার করে ফেলার পর ময়শ্চার লাগাতে ভুলবেন না।


আলুর রস
নানা ধরণের পুষ্টি ও মিনারেলে ভরপুর সবজি হল আলু। আর এই আলু আমাদের দেহ ও ত্বক উভয়ের জন্যই ভালো। ত্বক থেকে ব্রণের ক্ষত দাগ সারাতে আলুর জুস ব্যবহার করুন।
একটি আলু নিয়ে কেটে স্লাইস করে নিন তারপর সরাসরি ত্বকের ক্ষত দাগের ওপর দিয়ে রাখুন।
এছাড়াও আলু কেটে ব্লেন্ড করে তা থেকে রস নিয়ে ত্বকে ম্যাসেজ করতে পারেন এবং আরও ভালো ফল পেতে আলুর রস ত্বকে দিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার এইভাবে ত্বকে আলুর রস ব্যবহার করুন।


এমন কোন ব্যক্তি নেই যে, সে ব্রণের সাথে পরিচিত নন।ব্রণ সমস্যার জন্য মূলত অপিষ্কার অপরিচ্ছন্নতাই দায়ী।যারা ব্রণ সমস্যায় পড়েছেন তারা ব্রণ সমস্যা সমাধানের একটি কার্যকরী পদ্ধতি দেখতে পারেন। আবার অনেকে আছেন যারা ব্রণ সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়েছেন কিন্তু থেকে গেছে ব্রণের দাগ বা গর্ত।ব্রণের এই গর্ত বা দাগ কিন্তু আপনার সুন্দর্যকে কমিয়ে দেয়।fair value এর গুরুত্ব সবার কাছে আছে।


অধিকাংশক্ষেত্রে দেখা ব্রণের কাল দাগ দূর হলেও থেকে যায় অসুন্দর গর্তের দাগ গুলো যা সহজে যেতেও চায় না ।মনে রাকবেন ত্বকের ক্ষতির কথা চিন্তা করে কেমিকেল জাতীয় প্রসাধনী ব্যবহার করাও উচিত নয় ।

চলুন দেখে নি কীভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে সারিয়ে তুলবেন ব্রণের গর্ত-


১। ভিটামিন ই তেলঃ
ব্রনের গর্তের দাগ সারানোর জন্য সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর সমাধান হচ্ছে ভিটামিন ই তেল। এটি ব্রণের গর্তে যাদুর মত কাজ করে। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে ভিটামিন ই তেলের ব্যবহারে আপনার মুখমন্ডল হয়ে উঠবে দাগহীন,উজ্জ্বল। এটি ব্রণের কালো দাগ সারাতেও সাহায্য করে।
ভিটামিন ই তেল বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। আর না পেলে ভিটামিন ই ক্যাপসুল ব্যবহার করুন। প্রথমে সমস্ত মুখ মন্ডল তেল মুক্ত ফেস ওয়াস দিয়ে পরিষ্কার করে নিন । আরপর একটা পরিষ্কার পিন বা সূঁচ এর সাহায্যে ক্যাপসুলটি ফুটো করে তেল নিঃসরন করুন। তারপর পরিষ্কার হাত দিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন।
খুব বেশি তৈলাক্ত ত্বক হলে লাগানোর আধ ঘণ্টা পর টিস্যু পেপার দিয়ে অতিরিক্ত তেল চেপে চেপে তুলে নিন। নয়ত সারা রাত লাগিয়ে রাখতে পারেন। সমস্যা খুব বেশি না হলে সপ্তাহে ২-৩ বার এভাবে করুন।


২। লেবুঃ
লেবু সাইট্রিক এসিডের অন্যতম একটি উৎস। সাইট্রাস এসিড স্কার সারাতে অনবদ্য। কয়েক গ্লাস লেবুর শরবত পান করলে তার সাইট্রিক উপাদান আপনার দেহের ভেতর থেকে মরা কোষ সারিয়ে ত্বকের রঙ হালকা করতে সাহায্য করে।
একটি মাঝারি আকারের লেবুর রস সমপরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে মুখে ঘষুনএতে গর্তের দাগ হালকা হবে। সময়ের সাথে সাথে আপনি পাবেন দাগ মুক্ত ত্বক।


৩। অ্যালোভেরা জেলঃ
অ্যালোভেরা জেল প্রকৃতির আশীর্বাদ স্বরূপ। এই একটা উপাদান ত্বকের নানা রকম সমস্যা থেকে মু্ক্তি দেয়। টাটকা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন । এখন বিভিন্ন সুপার শপ গুলোতে অ্যালোভেরা পাওয়া যায়। সেখান থেকে কাঁচা অ্যালোভেরা কিনে জেল বের করে নিতে হবে।
বাইরে থেকে কিনতে না চাইলে নিজের টবেও লাগাতে পারেন অ্যালোভেরা। প্রথমেই একটি আস্ত অ্যালোভেরা নিয়ে সেটিকে ছুঁরির সাহায্যে যে কোন এক দিক থেকে কাটুন। কাটলেই দেখবেন ভেতরে স্বচছ্ব জ়েলীর মত উপাদান, এটি ব্যবহার করুন। দিনে যতবার ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনাকে দেবে বিরক্তিকর ব্রণের গর্তের দাগ থেকে মুক্তি।


৪। টমেটোঃ
টমেটোতে আছে ভিটামিন ”এ” যা সেবামের অতিরিক্ত ক্রীয়া বন্ধ করতে সক্রিয় ভূ্মিকা রাখে এবং ব্রণ ও ব্রণের দাগ দুটোই সারিয়ে তোলে। তাছাড়া এতে আছে ত্বকের ক্ষয়-ক্ষতি সারিয়ে তুলার প্রচুর পরিমাণে এন্টি-অক্সিডেন্ট। মাঝারি আকারের টাটকা টমেটো নিন।
একে সমান ২ ভাগে ভাগ করুন। এবার দুই গালে প্রথমে ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং তারপর ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ম্যাসাজ করুন। এতে যেমন গর্তের দাগ হালকা হবে, তদুপুরি রোদে পোড়া ভাব-ও কমবে। তাছাড়া এটি অনেক ভালো মেক-আপ রিমুভারের কাজ-ও করে থাকে ।


৫। অলিভ ওয়েলঃ

অলিভ ওয়েল একটি জাদুকরী উপাদান।খাদ্যদ্রব্যই সুস্বাদুসহ এটি ত্বক পরিচর্যায় ও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এক্সট্রা ভারজিন অলিভ ওয়েল দ্রুত ব্রনের গর্ত সারাতে সাহায্য করে।
অলিভ ওয়েলের ময়েশ্চারাইজিং গুণাগুণের কারণে এটি দ্রুত ত্বকের সাথে মিশে যায় এবং গর্ত সারাতে সাহায্য করে। অল্প পরিমাণে অলিভ ওয়েল নিয়ে মুখ মন্ডলে মালিশ করুন এবং ভালো ফল পেতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন ।


৬। মধুঃ
মধু একটি পরিচিত প্রাকৃতিক প্রসাধনী। প্রাচীন কাল থেকেই রূপচর্চার জন্য মধুর ব্যবহার প্রচলিত। মধুর মিষ্টতা খাবার হিসাবেও খুব ভালো। ফ্যাট কম থাকায় এটি আপনাকে ফিট থাকতে যেমন সাহায্য করে তেমনি নিয়মিত ব্যবহারে সারিয়ে তোলে ব্রণের গর্তের দাগ।


৭। বরফ কুচিঃ
পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, বরফ কুচির ব্যবহারে ব্রণের গর্ত হালকা হয়। অনেকেই আছে ঘরে বসে স্কার সারানোর জন্য বরফ কুচি ব্যবহার করে থাকেন। পাতলা কাপড় বা তুলোতে একটা বরফের টু্করো নিয়ে গর্তের জায়গায় ১৫-২০ মিনিট ঘষে লাগান। এতে ত্বকে আরামদায়ক অনুভুতির পাশাপাশি সারিয়ে দেবে গর্তের দাগ।


৮। ফেস প্যাকঃ
ব্রণের গর্ত সারাতে আপনার ফেস প্যাকে মেশান বেসন, টকদই ও শশার রস। এই ফেস প্যাকে ব্যবহারে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে, উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত,দাগহীন, যৌনদ্বীপ্ত ও তাজা।

ব্রণ ও ব্রণের গর্ত সারাতে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে খাওয়া দাওয়া এবং জীবন যাত্রা যেন সুস্থ ও পরিকল্পিত হয়।
সঠিক ঘুম, খাওয়া ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাই পারে ব্রণ মুক্ত রাখতে। এতে ত্বকের অন্য্যন্য সমস্যা থেকেও পরিত্রাণ মেলে।)

এ ছাড়া ও কেউ যদি ক্রিম/ প্রসাধনি ব্যাবহার করে এই সমস্যা র সমাধান চান তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা পাকিস্তানি, কোরিয়ান এবং জার্মানি থেকে ভাল মানের কসমেটিকস আমদানি করে থাকি। মনে রাখবেন টাকার কথা চিন্তা করে কেউ ভেজাল এবং বাজে কসমেটিকস ব্যাবহার করবেন না। এতে আপনার মূল্যবান চেহারার ক্ষতি হতে পারে।

Published by:

গরমে আরাম পোষাকের নিন প্রস্তুতি

শীত তো যাই যাই করছে। কখনো শীত কখনো গরমের মাঝে কখনো কখনো বৃষ্টিও দেখা দিচ্ছে। সময় বলে দিচ্ছে শীতের কাপড় তুলে রাখার সময় এসেছে। চাই গরমে আরাম পোষাক।

শীতের কাপড় তো তুলে রাখবেন, কিন্তু কোন কাপড় দিয়ে replace করবেন সেই যায়গাটা চিন্তা করেছেন। কিছু চিন্তা হয়তো করে রেখেছেন, চলুন তার সাথে আমাদের কোন পরামর্শ যদি আপনার কোন কাজে আসে।

গরমে কেমন কাপড় চাই

গরমে মোটা কাপড় এড়িয়ে চলা উচিত্‍। কারন মোটা কাপড় মোটেই আরামদায়ক নয়।। গরমে শাড়িবরং তা আপনাকে রাখবে অস্বস্থিতে। অন্যদিকে হালকা কাপড় বেশ আরামদায়ক। শরীরে বাতাস ঢুকতে সাহায্য করবে। আপনার চলাফেরাকে করবে স্বাচ্ছন্দ্যময়। আপনার কনফিডেন্স বাড়াতে সাহায্য করবে।

টাইট না ঢিলেঢালা

গরমে টাইট পোশাক আরামদায়ক নয়। আপনার শরীর গরমে ঘামতেই পারে। টাইট পোশাক সেই ঘামে জড়িয়ে যায়। আপনাকে রাখবে অস্বস্থিতে। এর চেয়ে ঢিলেঢালা পোশাক হালকা লাগবে। আর আপনার শরীরে বাতাস ঢুকতে সাহায্য করবে। ঘাম তাড়াতাড়ি শুকাতে সাহায্য করবে।

শর্ট না লং

গরমের পোশাক একটু শর্ট হলেই ভালো। বিশেষ করে শর্ট ফতুয়া, শর্ট কামিজ, টিশার্ট ইত্যাদি পোশাক মেয়েরা গরমের উপযোগী পোশাক হিসাবে ব্যবহার করেন। গরমের উপযোগী পোশাক ছাড়াও এটাকে তারা ফ্যাশন হিসাবেও ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে হাতা কাটা জামা পরতে পছন্দ করেন। এই গরমে ছোট হাতা, থ্রীকোয়ার্টার হাতা পরাই ভাল। ফতুয়া, কামিজ, ব্লাউজ-সবকিছুর ক্ষেত্রেই উঁচু গলা এই সময়ে তেমন দেখা যাচ্ছে না। বরং চারকোণা, পানপাতা ও ভি-আকৃতির গলা চলছে। পোশাকে হাতাকাটা, ছোট হাতার ম্যাগির সঙ্গে নতুন যোগ হয়েছে ঘটি হাতা।

সূতি পোশাক

সুতি পোশাক সহজে ঘাম শুষে নেয়। তা ছাড়া প্রাকৃতিক তন্তুর তৈরি বলে মসৃণও হয়। কৃত্রিম তন্তুর গরমে সাদা পোশাকতৈরি কাপড়ের পোশাক এ সময় একেবারেই বাদ দেওয়া ভালো। কারণ গরমের সময় এ কাপড় পরলে ত্বকে অ্যালার্জি হতে পারে। তা ছাড়া এ কাপড় ঘাম শুষে নিতে পারে না, ফলে পোশাকটা শরীরে চিটচিটেভাবে লেগে থাকে, যা অস্বস্তি সৃষ্টির পাশাপাশি দৃষ্টিকটুও। তবে পাতলা তাঁত ও খাদি কাপড়ের পোশাকও এ সময় পরা যায়।

হালকা রঙের পোশাক

গরমে পোশাকের প্রতি যেমন সচেতন হতে হয় তেমনি পোশাকের রঙের বিষয়টাও গুরুত্বপূর্ণ। গরমে মেয়েদের পোশাকের রঙ হবে হালকা। মেয়রা সাদা, হালকা গোলাপি, হালকা বেগুনি, হালকা নীল, বাদামি, আকাশি, হালকা হলুদ, ধূসরসহ হালকা রঙের পোশাকগুলোতে প্রাধান্য দেয়া উচিত। গরমে সাদা ও অন্যান্য হালকা রঙের পোশাক শুধু তাপ শোষণই করে না। সেই সঙ্গে চোখকে প্রশান্তি দেয়।

গরমে শাড়ি

গরমে পরার শাড়ির ক্ষেত্রেও সুতির ছাপা শাড়ি, ব্লক, টাঙ্গাইলের শাড়ি অথবা ব্লক-বাটিকের সুতি ট্রেন্ডি শাড়ি, অ্যাপ্লিকের শাড়ি বেশ চলছে। ব্লাউজের গলাটা পেছনদিকে বড় ও ম্যাগি হাতা হলে বেশ আরাম পাওয়া যাবে।

স্কার্ফ বা ছাতা

এই গরমে অনেকে মাথা ঢাকার জন্য স্কার্ফ ব্যবহার করে থাকেন। স্কার্ফ ব্যবহারের ফলে রোদ থেকে বাঁচা যায়। মাথার চুল নষ্ট হওয়া থেকে মুক্তি পায়। অনেকে ছাতা ব্যবহার করে থাকেন। গরমের দিনে সব সময় ব্যাগে একটি ছাতা এবং খাবার পানি অবশ্যই রাখা উচিত।

গরমে কেমন পোশাক নির্বাচন করবেন তার কিছু টিপস:
১. গরমে পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে কাপড় বাছাই করা। অব্যশই সূতি কাপড় গরমের পোশাকের প্রথম পছন্দ থাকে।
২.গরমে হালকা রংয়ের পোশাক পছন্দ করুন।
৩.টিলেঢালা, হাফ হাতা ও রোদে গেলে ফুল হাতা পোশাক পরিধান করুন।

সব মিলে গেছে? যদি না মিলে থাকে, তবে চিন্তাটা আরেকটু বেশি সময় ধরে করুন। আর বেছে নিন গরমের জন্য আপনার উপযুক্ত পোষাক।

Published by:

করোনা ভাইরাস কি, লক্ষণ কি, বাঁচার উপায় কি?

যদিও আমাদের দেশে এখনো করোনা ভাইরাস ছড়ানোর কোন তথ্য পাওয়া যায়নি, তবুও করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। কারণ বিশ্বের বহুদেশে করোনা ভাইরাস ছড়ানোর খবর পাওয়া গেছে।

করোনা ভাইরাস কি?

প্রথমে জেনে নেই করোনা ভাইরাস কি?

করোনা ভাইরাস একটি নতুন ধরনের রোগ যা পূর্বে বিজ্ঞানীদের অজানা ছিল। এর মধ্যেই চীনে অনেক মানুষের ফুসফুসের মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করেছে এবং অন্যান্য দেশেও এটি ধরা পড়েছে। চীনের উহানে গত ডিসেম্বর মাসে সনাক্ত হয় করোনা ভাইরাস।

করোনা ভাইরাস রোগীদের শরীরে নিউমোনিয়া তৈরি করছে। ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি। করোনা ভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। তবে নতুন ধরণের ভাইরাসের কারণে সেই সংখ্যা এখন থেকে হবে সাতটি।

২০০২ সাল থেকে চীনে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া সার্স (পুরো নাম সিভিয়ার এ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম) নামে যে ভাইরাসের সংক্রমণে পৃথিবীতে ৭৭৪জনের মৃত্যু হয়েছিল আর ৮০৯৮জন সংক্রমিত হয়েছিল। সেটিও ছিল এক ধরণের করোনাভাইরাস।

জ্বর দিয়ে ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়, এরপরে শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে। প্রায় এক সপ্তাহ পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়। অনেক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হয়।প্রতি চারজনের মধ্যে অন্তত একজনের অবস্থা মারাত্মক পর্যায়ে যায় বলে মনে করা হয়। ভাইরাস প্রতিরোধক করতে কোন ভ্যাকসিন বা টিকা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি।

 করোনা ভাইরাসের পূর্ববর্তী লক্ষণগুলো হলো – 
ক) সর্দি 
খ) গলা ব্যথা 
গ) কাশি 
ঘ) মাথা ব্যাথা 
ঙ) জ্বর 
চ) হাঁচি 
ছ) অবসাদ 
জ) শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

এক্ষেত্রে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায় এবং যারা বয়স্ক তাদের এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে এবং নিউমোনিয়া বা শ্বাস নালীর ব্যাধির মতো মারাত্মক অসুস্থতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বেশি থাকে।

মার্স ও সার্স-এর লক্ষণগুলো মারাত্মক হয়, এর কারণে গুরুতর শ্বাসকষ্টের সমস্যা, কিডনিতে সমস্যা, ডায়রিয়া এবং কোনো ব্যক্তির মৃত্যুও হতে পারে বলে জানা গেছে।

হিউম্যান করোনা ভাইরাস নির্ণয় হিউম্যান করোনা ভাইরাস নির্দিষ্ট কয়েকটি পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়, যথা – মলিকিউলার টেস্ট : সক্রিয় সংক্রমণের লক্ষণগুলি খুঁজে বের করতে। 
সেরোলজি টেস্ট : এই পরীক্ষাটি নজরদারি করার উদ্দেশ্যে। এটি পূর্ববর্তী সংক্রমণ থেকে অ্যান্টিবডিগুলি সনাক্ত করার জন্য করা হয়, যা একজন ব্যক্তির ভাইরাসের ধরন প্রকাশিত করে।

হিউম্যান করোনা ভাইরাস চিকিৎসা এর সঠিক চিকিৎসা এখনো আবিষ্কার করা হয়নি। বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে। তবে, অনেকগুলো সহায়ক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং ওষুধ রয়েছে যেগুলো এর হালকা থেকে মাঝারি উপসর্গগুলির চিকিৎসা করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ব্যথা ও জ্বরের চিকিৎসার জন্য ওষুধ বা গলা ব্যথা নিরাময়ের জন্য গরম পানি, ইত্যাদি।

হিউম্যান করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ
ক) হাঁচি বা কাশির পরে হাত ধুয়ে নিন। 
খ) কাশি বা হাঁচির আগে মুখ ঢেকে নিন। 
গ) আপনার যদি মনে হয় যে আপনি সংক্রামিত, তাহলে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এড়িয়ে চলুন। 
ঘ) রান্না না করা গোশত ও ডিম খাওয়া এড়ান। ]
ঙ) নিজেকে সারাক্ষণ হাইড্রেট রাখুন। 
চ) লক্ষণগুলো দেখা দেয়া মাত্রই ওষুধ খান এবং পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে দেবেন না। 
ছ) ধোঁয়াটে এলাকা বা ধূমপান করা এড়িয়ে চলুন। 
জ) যথাযথ বিশ্রাম নিন। 
ঝ) ভিড় থেকে দূরে থাকুন।

করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্ধিগ্ন না হয়ে চলুন সচেতন হই। নিজে পরিষ্কার থাকি, অন্যকে পরিষ্কার থাকতে বলি।

Published by:

এবার ব্যবসায়ী রেসি

ঢাকাই ছবির একসময়ের ব্যস্ত নায়িকা মৃদুলা আহমেদ রেসি। ক্যারিয়ারে বেশ কয়েকটি দর্শকপ্রিয় হিট ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি।

এখন চলচ্চিত্রে দেখা যায় না তাকে। সংসার নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন। এবার ব্যবসায়ে নামলেন এ নায়িকা। খুলেছেন বিউটি পার্লার। নাম ‘রেসি হেয়ার অ্যান্ড বিউটি সেলুন’। ৩ জুন শোবিজ তারকাদের উপস্থিতিতে উদ্বোধন করা হয় পার্লারটি।

নিজেকে ব্যবসার সঙ্গে জড়ানো প্রসঙ্গে রেসি বলেন, ‘এটা আমার স্বপ্নেরই বাস্তবায়ন। অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল একটি বিউটি পার্লার প্রতিষ্ঠা করার। নানা কারণে এটি সম্ভব হচ্ছিল না। হঠাৎ করেই আমার স্বামী পার্লারের যাবতীয় ব্যবস্থা করে আমাকে চমকে দেন। অনেক ভালো লাগছে যে অবশেষে আমার স্বপ্নটা পূরণ হল।’

এছাড়া একটি নাচের স্কুল দেয়ার স্বপ্ন ছিল বলেও জানান রেসি। ২০০৪ সালেবুলবুল জিলানীর ‘নীল আঁচল’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় রেসির। এরপর এফ আই মানিকের ‘এক জবান’, ‘স্বামী ভাগ্য’ এবং মনতাজুর রহমান আকবরের ‘আমার স্বপ্ন আমার অহংকার’ ছবিতে অভিনয় করেন। রেসি অভিনীত ছবির সংখ্যা প্রায় ৪০টিরও বেশি।

Published by:

ভারতীয় চলচ্চিত্রে তিশা

ছবির নাম ‘বোবা রহস্য’। পরিচালক অভিষেক বাগচি। ছবিতে তিশার প্রেমিকের চরিত্রের অভিনয় করবেন বয়সে তিন বছরের ছোট বাংলাদেশের চিত্রনায়ক আমান রেজা। ‘বোবা রহস্য’ ছবিতে অভিনয়ের ব্যাপারে তিশা ও আমান রেজার সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত করার জন্য দুই দফা ঢাকায় আসেন এই ছবির প্রযোজক সাগর সেন। সপ্তাহ দু–এক আগে আমান এবং গত পরশু তিশা চুক্তিপত্রে সই করেছেন।

তিশাছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে তিশাকে কেন্দ্র করে। বাংলাদেশের আমান রেজা তাঁর প্রেমিক। ছবিটি নিয়ে প্রথম আলোকে আমান রেজা বলেন, ‘থ্রিলার, রোমান্স আর গোয়েন্দা কাহিনির এক দারুণ গল্প নিয়ে ছবিটি। গল্পের পুরোটাই তিশাকে ঘিরে। ছবিতে আমিও তাঁর জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে আছি। দেশের পাশাপাশি আমি এখন ভারতের বাংলা চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয় করছি। আমার অভিনীত বিজ্ঞাপনচিত্রও ভারতের টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত হচ্ছে। দেশের বাইরের ছবিতে কাজ করার আনন্দই অন্য রকম। বাইরের ছবিতে কাজ করার সময় দেশের সম্মানের ব্যাপারটি মাথায় রাখি।’

আগামী জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে তিশা শাকিব‘বোবা রহস্য’ ছবির শুটিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ আর ঝাড়খন্ডে পুরো ছবির শুটিং হবে। এই ছবির মধ্য দিয়ে কয়েক বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন সব্যসাচী চক্রবর্তী। ছবির অন্য অভিনয়শিল্পীরা হলেন খরাজ মুখার্জি, সুদীপ্ত চক্রবর্তী, দর্শনা বণিক, রাহুল ব্যানার্জি, অরিন্দম বসু প্রমুখ। ছবিটি ভারতীয় হলেও সাফটা চুক্তির আওতায় এটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহেও প্রদর্শিত হবে। এই ছবির বাংলাদেশ অংশের পরিবেশক জাজ মাল্টিমিডিয়া।

তিশা শাকিবছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে তিশা বলেন, গোয়েন্দা গল্পের এই ছবিতে মিতালী মুখার্জি চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছি। গল্পটি দারুণ। যে জন্য এক বাক্যেই অভিনয়ে রাজি হয়েছি। ছবিতে অনেক গুণী শিল্পীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হবে। আশা করছি ভালো কিছু হবে। আমান রেজা তার চরিত্রটি প্রসঙ্গে বলেন, ‘ছবিতে দেখা যাবে তিশার সঙ্গে আমার প্রেম হয়। এরপর ঘটতে থাকে নানা অঘটন। আর সেই অঘটনের কারণ খুঁজতে মিশনে নামবেন সব্যসাচী। উন্মোচিত হবে নতুন রহস্য। আশা করছি দারুণ কিছু হবে।’

ছবিটি মুক্তি পাবে ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে। এ দেশে মুক্তি পাবে সাফটা চুক্তির আইনে। এটি বাংলাদেশে পরিবেশনা করবে জাজ মাল্টিমিডিয়া।

Published by:

প্রিয়াংকা নিকের বিয়ের শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি

তারায় তারায় মিলন। একজন বলিউডের তারকা অন্যজন হলিউডের। দুই তারার মিলনে আলোকসজ্জিত উমেদ ভবন প্যালেস।

প্রিয়াঙ্কা-নিকের এই মহাক্ষণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকবেন বলে খবর চাউর হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আশীর্বাদ থাকছে যে বিয়েতে সেখানে খাবারের আয়োজন কী? এ নিয়ে অবশ্য মানুষের বেশ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

অতিথি আপ্যায়নে অবশ্য কোনো ত্রুটি রাখছেন এ তারকা জুটি। নিজেরাই সবকিছু তদারকি করছেন। তালিকায় কন্টিনেন্টাল ফুড, চায়নিজসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি খাবার থাকছে।

অতিথিদের জন্য মোট ৮০ পদের খাবারের ব্যবস্থা করেছে প্রিয়াঙ্কা-নিক। এর মধ্যে রয়েছে রাজস্থানি কড়ি পকোড়ে, সাংগরি কি রোটি, বাজরা কে রোটি, মক্কাই কি রোটি, রাজস্থানি থালি, ডাল-বাটি চুর্মাসহ অনেক কিছু।

শুক্রবার থেকে প্রিয়াঙ্কা-নিকের বিয়ে উৎসব শুরু হবে। এ জন্য বৃহস্পতিবার থেকে প্যালেস ভাড়া করা হয়েছে। আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বিয়ের দিন থাকবে রিটার্ন গিফট। প্রত্যেকে অতিথিকে রুপার টাকা উপহার দেবেন প্রিয়াঙ্কা। রুপার টাকার একপিঠে থাকবে প্রিয়াঙ্কা-নিকের নামের আদ্যক্ষর (এনপি)। আর অন্য পিঠে থাকবে লক্ষ্মী-গণেশের ছবি।

দিল্লিতে পৌঁছেই হবু স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন নিক। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় অনেকটা উচ্ছ্বসিত দেখা গেছে হবু বরকে।

দিল্লিতে পৌঁছে এই চোপড়া এবং জোনাস পরিবার একসঙ্গে ছবি তুলেছেন। এ সময় হবুস্ত্রীর সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে দেখা গেছে নিককে। সেসময়ের তোলা ছবি ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করে ফেলেছেন প্রিয়াংকা। ছবিতে দেখা গেছে নিকের সঙ্গে রোমান্টিক মুডে আছেন পিগি চপস। হবু বরের আগমনে ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ওয়েলকাম হোম বেবি’.

ইতিমধ্যে চোপড়া ও জোনাস পরিবারে তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। সাজানো হচ্ছে যোধপুরের উমেদ ভবন।

জানা গেছে, দীপিকা ও রণবীরের পথ ধরেই হাঁটছেন নিক-প্রিয়াংকা। আনুশকা, দীপিকাদের মতো সুদূর ইতালিতে গিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে না বসলেও নিরাপত্তার ব্যাপারে একইরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রিয়াংকা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর, ভারতীয় বধুকে বরণ করে নিতে নিকের সঙ্গে এসেছেন জো জোনাস, সোফি টার্নার ইতিমধ্যে যোধপুরে হাজির হয়েছেন।

আর সেই সময় থেকেই নিরাপত্তার নিশ্ছিদ্র চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে উমেদ প্রাসাদ। গোটা যোধপুর জুড়েই নাকি এই নিরাপত্তার রেশ কোথাও না কোথাও দেখা যাচ্ছে।

রিপোর্টে প্রকাশ, প্রিয়াংকা-নিকের বিয়ের জন্য উমেদ ভবনের নিরাপত্তা রক্ষীদের ইতিমধ্যেই ৫ দিনের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।

বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথি ভিন্ন শুধুমাত্র প্রিয়াংকার নিয়োগপ্রাপ্ত নিরাপত্তা রক্ষীরাই উপস্থিত থাকবেন।

প্রিয়াংকার কড়া নির্দেশ, দায়িত্বে থাকাকালীন কোনো নিরাপত্তারক্ষীরা স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।

যোগাযোগ রক্ষার্থে তাদেরকে দেওয়া হবে ক্যামেরা ও ইন্টারনেট সংযোগবিহীন সাধারণ মানের মোবাইল দেওয়া হবে।

উমেদ ভবনের ক্যাটারিং কর্মীদের জন্যও সেই একই ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো।

বিয়ের অতিথিদের জন্য রয়েছে আরও কড়া নিদের্শ। প্রিয়াংকার নিদের্শনা অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের অতিথিরা কোনো স্মার্টফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না।

অনুষ্ঠানের কোনো ছবিও তোলা যাবে না বলে নির্দেশ রয়েছে।

পুরো উমেদ ভবন জুড়ে লাগানো হয়েছে জ্যামার। কেউ যাতে কোনোভাবে প্রিয়াংকা-নিকের ছবি তুলে ইন্টারনেটে না ছড়াতে পারে।

কেন এতো কঠোর নিদের্শনা সে প্রসঙ্গে ভারতীয় মিডিয়াসহ বলিমহলে যে খবর রটেছে তাহলো – দুটি মার্কিন এবং একটি ভারতীয় ম্যাগাজিন সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন প্রিয়াংকা।

ফলে বিনা অনুমতিতে এই হাইপ্রোফাইল বিয়ের কোনো ছবি বাইরে আসবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দীপ-রণবীরের বিয়েতেও এমন নিরাপত্তা নেয়া হয়েছিল। তবু ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই সেই বিয়ের কিছু দৃশ্য দূর থেকে ক্যামেরায় ধারণ করে ফাঁস করে দেয়।

যদিও এটি ছাড়া আর কোনো ছবি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমের কাছে এসে পৌঁছায়নি।

Published by:

অস্বস্তিতে স্বস্তিকা!

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। ছবির পাশাপাশি ওয়েব দুনিয়ায়ও বেশ জনপ্রিয় এই নায়িকা। গুগলে স্বস্তিকার নাম লিখে সার্চ দিলেই বেশকিছু বিশেষণ ভেসে ওঠে তার নামের সঙ্গে। খবর: আনন্দবাজারের।

অস্বস্তিতে স্বস্তিকা!এর মধ্যে আছে ‘হট সিন’, ‘সেনসেশনাল সিন’ ইত্যাদি। এ নিয়ে বেশ অস্বস্তিতেই রয়েছেন স্বস্তিকা hoTটালিগঞ্জের এই নায়িকা। তার ভাষ্য, ‘এত ভালো কাজ করলাম, সেগুলো নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। এসব নিয়ে যে লোকে কিউরিয়াস আমি শুনতে পাই।’

তিনি বলেন, স্বস্তিকার হাইট, ওয়েট, এজ, বয়ফ্রেন্ড নিয়েও দর্শকের কৌতূহল রয়েছে। তা দেখে তিনি বললেন, ‘ওয়েট তো নিয়ে এত কিউরিসিটি কেন? ওয়েট তো ফ্লাকচুয়েট করতেই পারে!’

তবে সবচেয়ে চমকে গেলেন, ‘স্বস্তিকা রেডি ফর ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড’ দেখে। বেশ বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘এগুলো কারা বানায়, এটা আমি নই।’

সব মিলিয়ে গুগল করে নিজের সম্পর্কে কী কী দর্শক জানতে চান, তা দেখে বেশ অবাক হলেন স্বস্তিকা। তিনি বলেন, ‘সবাই বলে ভালো কাজ করেন, কিন্তু সেটা নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। কোন ছবিতে কাকে চুমু খেয়েছি, ব্রোকেন রিলেশনশিপ, জোড়া লাগা রিলেশনশিপ নিয়ে লোকের ইন্টারেস্ট আছে।’

 

Published by:
//GA Code Start //GA code end